উইন্ডিজকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

মাশরাফীর হাত ধরে এসেছিল প্রথম সাফল্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফিফটি পার করতেই আঘাত হানেন মিরাজ। খানিক বিরতির পর মোস্তাফিজ পান জোড়া সাফল্য। তাতে চাপেই আছে ত্রিদেশীয় সিরিজে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলা জেসন হোল্ডারের দল। 

বিজ্ঞাপন

দলীয় শতক থেকে ১ রান দূরে থাকা অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় তাদের চতুর্থ উইকেট। মোস্তাফিজের বলে জোনাথন কার্টার এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে করেন মাত্র ৩ রান।

তার আগে রোস্টন চেজকে (১৯) মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে প্রথম সাফল্য পান মোস্তাফিজ। ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ তখন ৮৯। আগের ম্যাচে খরুচে থাকা ফিজ এ ম্যাচে করে যাচ্ছেন কিপটে বোলিং।

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনিং জুটি থেকে আসে বড় রানের ভিত। ৩৬৫, ৮৯ ও ৮৪। ফাইনালের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের শেষ ম্যাচেও ওপেনিং জুটি ভয় জাগাচ্ছিল। বেশ স্বচ্ছন্দে ব্যাট করে যাচ্ছিলেন সুনিল আমব্রিস ও শাই হোপ। হবে এদিন তারা বিচ্ছিন্ন হতে খুব একটা সময় নেননি।

ডাবলিনের ম্যালাহাইডে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৭ রানের মাথায় প্রথম আঘাত হানেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচ আগেই ১৪৮ রানের ইনিংস খেলা আমব্রিসকে ফিরিয়েছেন ১৯ বলে ২৩ করার পর।

দলীয় ষষ্ঠ ওভারে মাশরাফীর ইন-কাট হয়ে ভেতরে আসা বলটি কাট করতে গিয়ে স্লিপে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত হন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নেয়া ক্যাচটি সহজ ছিল না। দারুণ তৎপরতায় সেটি তালুবন্দী করেন সৌম্য।

প্রথম স্পেলেই আরেকটি উইকেট পেতে পারতেন মাশরাফী। তিনে নামা ড্যারেন ব্রাভো বল আকাশে তুলে দিলেও ৩০ গজ বৃত্তের মাঝে সেটিকে ক্যাচে রূপ দিতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্রাভো তখন ৫ রানে ব্যাট করছিলেন।

সেই মিরাজই অবশ্য ব্রাভোকে ফিরিয়েছেন বোলিংয়ে এসে। আর ১ রান যোগ করে এ অফস্পিনারের বলে হন এলবিডব্লিউ। ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ছিল তখন ৫৭।

ত্রিদেশীয় সিরিজবাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজলিড স্পোর্টস