এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে গুলি: সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার চায় এবিবি

বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়াকে গুলি ও আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবিবি বলেছে, এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা দেশে ও বিদেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যাংক খাতে সুষ্ঠু ও পেশাদার কাজের পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে এবিবি যেকোন বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব মহলের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে।

এতে আরও বলা হয়, ‘গত ২৬ মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে গুলি ও নির্যাতনের ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই ঘটনায় এবিবি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। একই সাথে এই অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রত্যাশা করছে।

অভিযোগে উল্লেখিত এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা ব্যাংকারদের তথা সামগ্রিকভাবে দেশে ও বিদেশে সংশ্লিষ্ট সকলের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই এবিবি মনে করে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার জন্য বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকটির এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন সিকদার গ্রুপের দুই পরিচালক।

এই দুই কর্মকর্তাকে বনানীর একটি বাসায় জোর করে আটক রেখে নির্যাতন করেন এবং সাদা কাগজে সই নেন বলেও সংবাদ সূত্রে জানা গেছে।

এই ঘটনায় এক্সিম ব্যাংকের পক্ষ থেকে গুলশান থানায় মামলা করা হয়। এতে আসামি করা হয়েছে জয়নুল হক সিকদারের ছেলে এবং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে।

এই মামলার পর ২৫ মে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে অভিযুক্ত দুই ভাই থাইল্যান্ড চলে যান।

এক্সিম ব্যাংকএবিবি