আসরে নিজেদের শুরুর চারটি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল খুলনা টাইগার্স। সিলেট পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফরচুন বরিশালের কাছে হেরেছিল তারা। ঢাকা পর্বে ফিরে হেরে বসেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে। আমির জামালের আগুনঝরা বোলিংয়ে খুলনাকে ৩৪ রানে হারিয়েছে লিটন দাসের দল।
বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লা অধিনায়ক লিটন দাস। নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় খুলনার ইনিংস।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে খুলনা টাইগার্স। পাকিস্তানি পেসার আমির জামালের বলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি রূপসা পাড়ের দলটি। নিয়মিত বিরতিতে হারিয়েছে উইকেট।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ রান করেছেন নাহিদুল ইসলাম। ২৪ বলের ইংনিসটিতে ছিল দুটি চারের মার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন এনামুল হক বিজয়। ১২ বলের ইনিংসটিতে ছিলে তিনটি চার ও একটি ছক্কার মার। এছাড়া শেষের দিকে তিন ছক্কায় ও এক চারে ১২ বলে ২৩ রান করেন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
কুমিল্লার হয়ে ৪ ওভার বল করে ২৩ রান খরচায় আসরে প্রথম বোলার হিসেবে ৫ উইকেট নেন আমির জামাল। তানভীর ইসলাম নেন দুটি। এছাড়া আলিস, জ্যাকস ও মোস্তাফিজ নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে কুমিল্লাকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৯ রান তোলেন তারা। ইনিংসের দশম ওভারে জোড়া আঘাত হেনে দুই ওপেনারকে ফেরান নাসুম। তৃতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান লিটন দাস। চারটি ছক্কা ও দুটি চারে ৩০ বলে ৪৫ রান করেন টাইগার ওপেনার। শেষ বলে রিজওয়ানকে ফেরান লেগ বিফোরের ফাঁদে জড়িয়ে। ২৮ বলে ২১ রান করেন রিজওয়ান।
১৫.৩ ওভারে উইল জ্যাকসকে ফেরান মোহাম্মদ ওয়াসিম। ২৭ বলে ২২ রান করেন জ্যাকস। ১৭.১ ওভারে ১১৮ রানে ফিরে যান তাওহীদ হৃদয়। ১৭ বলে ১৬ রান করেন। পরে আমির জামালের ৮ বলে ১৮ রান ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ৫ রানে ১০ রানের ক্যামিওতে ১৪৯ রানে থামে কুমিল্লা।
খুলনার হয়ে নাসুম ও ফাহিম আশরাফ দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া মোহাম্মদ ওয়াসিম নেন একটি। বাকী দুটি ছিল রানআউট।







