‘তারুণ্যের ভাবনার পরিধি বাড়াই, প্রান্তিক শিশুদের পাশে দাঁড়াই’ প্রতিপাদ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থ উৎসব ২০২৩।’
শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ এম. মনসুর আলী প্রশাসনিক ভবন চত্বরে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাগরণ ফাউন্ডেশন এ মেলার আয়োজন করেছে।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু মেলার উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে নবজাগরণ ফাউন্ডেশন।
আজ থেকে শুরু পাঁচ দিনব্যাপী গ্রন্থ উৎসবটি চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে স্টলগুলো। নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকগণ বই বিক্রয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত গ্ৰন্থ উৎসবের উদ্দেশ্য, চিন্তাশক্তির বিকাশ ও তরুণদের মধ্যে সাহিত্য চেতনা জাগ্রত করা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই গ্ৰন্থ উৎসব থেকে অর্জিত মুনাফা ব্যয় করা হবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার জন্য।
গ্ৰন্থ উৎসবে বাংলা প্রকাশ প্রকাশনী, ইত্যাদি প্রকাশনী, হাওলাদার প্রকাশনী, প্রজন্ম প্রকাশনী, অনন্যা প্রকাশনীসহ অনলাইন বই বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ‘বইবাজার ডটকম’ এবং রাজশাহীর তিনটি স্বনামধন্য লাইব্রেরি যুক্ত থাকবে।
মেলা উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম ও অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, ছাত্র উপদেষ্টা এম. তারেক নূর, নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মনিমুল হক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সুলতান মাহমুদ, আইন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের বর্তমান সভাপতি রাসেল সরকার, সাধারণ সম্পাদক নুর জাহান দোলনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা।
নবজাগরণ ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা বিগত ১০ বছর যাবৎ স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়নে সহায়তামূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে শিক্ষাক্ষেত্রে উৎসাহীকরণ ও যুগোপযোগী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।








