নোয়াখালীর সুবর্ণচরে হাত-পা বেঁধে ৩ সন্তানের জননী শারমিন আক্তারকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে চরজব্বর থানার পুলিশ। এর আগে, গত ১৩ আগস্ট মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব চরবটা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চরমজিদ গ্রামের আব্দুল হাদিগো বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৩ আগস্ট রাতে শ্বশুর বাড়ির পাশে আমার বিয়ের ঘটক এর ভাই বেলাল সওদাগর ভরসা দিয়ে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ওই দিন রাত ১২টার দিকে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শ্বশুর আব্দুল হাদি, জা কুলসুমা, নার্গিস, ভাসুরের ছেলে শেখ ফরিদ, হাসান, স্বামী নুরনবী ও তার বোন ছাহেরা খাতুন আমার হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালায়। আমি এতিম, আমার মা-বাবা কেউ নেই। আমার খালাতে ভাইয়েরা আমাকে লালন পালন করে বিয়ে দেয়। খবর পেয়ে তারাই আমাকে উদ্ধার করে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাউছার আলম ভূঁইয়া বলেন, গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। রাতেই ভিকটিম ও তার স্বামীসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








