গত বিপিএলে দারুণ পারফর্ম করে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন আলিস আল ইসলাম। শ্রীলঙ্কা সিরিজে প্রথমবার ডাক পেলেও চোটে খেলার স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। তিন মাস পর মাঠে ফেরেন তরুণ স্পিনার। জাতীয় দলে আর ডাক পড়েনি। সেজন্য অবশ্য নিজেকে সর্বদা প্রস্তুত রাখছেন আলিস।
চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে অস্ট্রেলিয়ায় হাই-পারফরম্যান্স দলের হয়ে এবং ইমার্জিং এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভালোও করেছেন। সবশেষ এনসিএল টি-টুয়েন্টিতে আলো ছড়িয়েছেন। ঢাকা মেট্রোর হয়ে ১০ ম্যাচে ১৪ উইকেট নেয়া আলিস বিপিএলে খেলবেন চিটাগং কিংসের হয়ে। সেখানে বল হাতে আলো ছড়ানোর অপেক্ষায় আছেন।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চিটাগং কিংসের অনুশীলন শেষে কথা বলেছেন আলিস। জাতীয় দলের জন্য নিজেকে কতটা প্রস্তুত রেখেছেন এমন প্রশ্নে বললেন, ‘সবসময়ই প্রস্তুত থাকি। জাতীয় দল তো এমন জায়গা নয় যে ডাক পেয়ে তারপর প্রস্তুত হবেন। জাতীয় দলে খেলতে হলে তৈরিই থাকতে হবে। তাই চেষ্টা করি মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে। যখন সুযোগ আসবে, ইনশাআল্লাহ্ ভালো করতে পারব।’
টি-টুয়েন্টি শুধু উইকেট নেয়ার খেলা নয়। সুযোগ হলে ইকোনমিক্যাল বোলিং করে দলের জন্য অবদান রাখতে চান। এমন করতে পারলে দলের অন্য বোলারদের উপর থেকে চাপ সরে যাবে। বলেছেন, ‘টি-টুয়েন্টিতে বোলিংয়ের দিক থেকে দুইভাবে জেতা যায়। হয়তো ইকোনমিক একটা স্পেল করে বের হয়ে যাবেন। যা করতে পারলে অন্য বোলারদের উপর থেকে চাপ সরে যাবে। নয়তো শুরুতে উইকেট বের করে দেবেন। আমার লক্ষ্য থাকে সবসময় ইকোনমিক বোলিং এবং শুরুতে উইকেট বের করা। শুরুতে উইকেট নিতে গিয়ে একটা-দুইটা বাউন্ডারি বের হয়ে যেতে পারে। এটা স্বাভাবিক। তবে সবসময় লক্ষ্য থাকে ইকোনমি বোলিং করার।’









