বাংলাদেশ

বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বোনের পরে শিশু নাফির মৃত্যু

বিমান দুর্ঘটনায় আহত পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বিমানবন্দরে এক পরিবারের সদস্যরা, যারা বিমান দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন শিশু নাফি রয়েছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে এবার মারা গেল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফি (৯)। এর আগে একই ঘটনায় মারা যায় তার বোন নাজিয়া।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু নাফি।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নাফির শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। রাতে সে মারা যায়।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মারা যায় তার বড় বোন নাজিয়া, যার শরীরের ৯০ শতাংশ ছিল দগ্ধ। ভাই-বোন দুইজনই উত্তরা কামারপাড়া এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১জন মারা গেছেন। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা গেছে আরও এক শিক্ষার্থী।

এর আগে একই রাতে মারা যান শিক্ষিকা মাসুকা ও ৯ বছরের শিশু বাপ্পি, যার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মধ্যরাতে মারা যায় আরও ৪ শিক্ষার্থী—এরিকসন (১০০ শতাংশ দগ্ধ), আরিয়ান (৮৫ শতাংশ), নাজিয়া (৯০ শতাংশ) ও সায়ান ইউসুফ (৯৫ শতাংশ)।

এর আগেই মারা গিয়েছেন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ, সপ্তম শ্রেণির আফনান ফাইয়াজ, প্রাইমারি সেকশনের হেড কো-অর্ডিনেটর মাহেরীন চৌধুরী এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ সামিন।

বিষয়:আগুনে দগ্ধউত্তরামাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজযুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
প্রতিবেদক

চ্যানেল আই অনলাইন

চ্যানেল আই অনলাইন

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…