বগুড়ার শেরপুরের আমইন গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে তামিম হোসেন (১৩) নামের একজন স্কুল ছাত্রের ধর্ষিত বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ ১২ জুলাই শুক্রবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করে বগুড়ার পুলিশ সুপার জাকির হাসান জানান, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই স্কুল ছাত্র তামিমকে হত্যা করে হত্যাকারী এমদাদুল। হত্যার পর লাশ পাটের বস্তায় ভরে পুকুরে ভাসিয়ে দেয়। পরদিন হত্যাকারী নিজেই পুকুরের মালিককে পুকুরের পানিতে বস্তা ভেসে বেড়ানোর সংবাদ দেয়। পরে পুকুর থেকে বস্তার মুখ খুলে উদ্ধার হয় স্কুল ছাত্র তামিমের লাশ।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জাকির হাসান আরও জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তামিম পুকুর পাড়ের ঘর থেকে মাছের কিছু খাবার চুরি করে। বিষয়টি আসামী এমদাদুল দেখে ফেলে এবং তামিমকে তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনের আহবান জানায়। পুকুর মালিককে ধরে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আসামী এমদাদুল স্কুল ছাত্র তামিমকে পুকুরপাড়ের একটি ঘরে নিয়ে অপ্রকৃতস্থ সংগমে লিপ্ত হয়।
এতে তামিমের মলদার ফেটে যায়, কান্নাকাটি-চিৎকার শুরু করলে আসামী দুই হাত দিয়ে তামিমের গলা চেপে ধরে। একপর্যায়ে আসামী তামিমের গলায় রশি পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরবর্তীতে আসামী ওই ঘরে থাকা বস্তার মধ্যে তামিমের লাশ ভরে পুকুরের মাঝখানে নিয়ে ফেলে দেয়। আসামীকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
নিহত তামিমের স্বজনেরা জানান, গতকাল বুধবার সকালে অসুস্থ মায়ের জন্য পানি আনতে ঘর থেকে বের হন তামিম। এরপর বাসায় না ফেরায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজিও করা হয়। একদিন পর বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বস্তাবন্দী ভাসমান কিছু দেখতে পায় গ্রামবাসী। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বস্তার মুখ খুলে তামিমের লাশ শনাক্ত করে। এ ঘটনার হত্যাকারী সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানান স্বজনরা।









