ব্রিসবেন থেকে: সিডনি থেকে ব্রিসবেনে পা রেখেই স্থানীয় এক অটোগ্রাফ শিকারির পাল্লায় পড়ে সাকিব আল হাসানের দল। কোচরাও রেহাই পাননি। একে একে সবার অটোগ্রাফ নিয়েছেন ব্রিসবেনের ছেলে শেইন।
টাইগার ক্রিকেটের প্রতি এই অস্ট্রেলিয়ানের প্রেম দেখে কেউই তাকে ফিরিয়ে দিতে পারেননি। খুশি মনেই ক্লিপ বোর্ডে বাংলাদেশের পতাকার নিচে একে একে কলম ঘুরিয়েছেন সবাই। বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম বাড়ান সহযোগিতার হাত। তাতে সহজ হয় তার কাজ।
টাইগারদের বিমান অবতরণের এক ঘণ্টা আগে থেকেই ব্রিসবেন ডোমেস্টিক এয়ারপোর্টে ছোটাছুটি করতে শুরু করেন শেইন। গায়ে তার বাংলাদেশ দলের রঙিন জার্সি। পুরো জার্সিজুড়ে বাংলাদেশের নারী দলের ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ।
২০২০ সালে সালমা-জাহানারা-রুমানারা অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিলেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে। সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন এ যুবক। এবার ছেলেদের দলকে নিজ শহরে পেয়ে ষোলোআনা উসুল করে নিলেন।
শেইন বাংলাদেশ ক্রিকেটের কত বড় ফ্যান তা বোঝা গেল আলাপের পর। সাকিব-তামিম প্রজন্মের ক্রিকেটারদেরই শুধু নয়, আরও আগে থেকেই অনুসরণ করেন বাংলাদেশ দলকে।
শেইনের কাছে প্রশ্ন ছিল কত আগে থেকে বাংলাদেশের খেলা দেখেন- তিনি জানালেন, ‘রফিক, জাভেদ ওমরদের সময় থেকে।’ বাংলাদেশিদের মধ্যে মোহাম্মদ রফিকই তার সবসময়ের প্রিয় ক্রিকেটার। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, শাহাদাত হোসেন রাজীব, তামিম ইকবাল, সাকিব আছেন পছন্দের তালিকায়।
বাংলাদেশে কখনো আসেননি অথচ বাংলাদেশকে নিজের দেশের মতো করেই ভালোবাসেন। তার পেছনে কারণ এ দেশের মানুষ। শেইনের ভাষায়, ‘যাদের কোনো ইগো নেই।’ হোবার্টে পাওয়া গিয়েছিল লিটন দাসের একজন অস্ট্রেলিয়ান ভক্তকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ভালোবাসার যে কারণ তারা জানাচ্ছেন তা খেলার চাইতেও অনেক বড়।







