অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি’র (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি এ ঘটনাকে ‘বর্বরতা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, সমালোচনা গণতান্ত্রিক অধিকার, কিন্তু শারীরিক লাঞ্ছনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বুধবার (১৪ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লেখেন, একজন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে মাহফুজ আলম সমস্যা সমাধানে গিয়েছিলেন। তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা একদিকে যেমন নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, তেমনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের দাবির প্রতিনিধিত্ব করতেই তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। এ ধরনের হঠকারী আচরণ কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না। বরং আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ সমঝোতার সম্ভাবনাই এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন ঘটনার পর আন্দোলনের নেতৃত্বের উচিত প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে, তার নিশ্চয়তা দেওয়া।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জনদাবির মুখে উপদেষ্টাদের সামনে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, অথচ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো দায়িত্ব এড়িয়ে চলছে। বিশেষ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি—এটা সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
উল্লেখ্য, সন্ধ্যায় তিন দফা দাবিতে জবি শিক্ষার্থীরা কাকরাইলে অবস্থান নেন। রাত সোয়া ১০টার দিকে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ‘উস্কানি’ মন্তব্য করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে স্লোগান দেয়। একপর্যায়ে তার মাথায় বোতল পড়ে।









