নিহত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেছেন, হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন আসামীদের ছাড় দেয়ার জন্য অনেক জায়গা থেকে তদবির করা ও চাপ দেয়া হচ্ছে।
তিনি আজ বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সাথে দেখা করতে এসে এ দাবি করেন।
ডরিন দাবি করেন, বড় বড় জায়গা থেকে ফোন দেয়া হচ্ছে, আসামিদের ছাড় দেয়ার জন্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বাবার হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চেয়ে তিনি বলেন, যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ,তারা কেউ যেন ছাড় না পায়। অনেক জায়গা থেকে আসামীদের ছাড় দেয়ার জন্য তদবির করা হচ্ছে। চাপ দেয়া হচ্ছে। ‘গ্যাস বাবু’ আমার বাবার প্রতিপক্ষ। মিন্টু চাচাকে ধরেছে। অবশ্যই তার বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ পেয়েছে ডিবি।
তিনি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু আটকের পর তাকে ছাড়ানোর জন্য তদবির ও চাপ দেয়া হচ্ছে। ডরিন আরও বলেন, রাজনীতি নিয়ে এখন চিন্তা করছি না। আগে হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
আনোয়ারুল কন্যা আরও জানান, ডিএনএ টেস্টের জন্য এখনও ডাকেনি ভারতে। ডাকলে যেতে প্রস্তুত আছি যাওয়ার জন্য।
এমপি আনার চিকিৎসার উদ্দেশে গত ১২ মে কলকাতায় যান। সেখানে বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাসায় ওঠেন। পরদিন দুপুরে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন বলে ওই বাসা থেকে বের হলেও তিনি যান কলকাতা নিউটাউনের একটি আলিশান ফ্ল্যাটে। সেইদিন ওই ফ্ল্যাটে হত্যার শিকার হন এমপি আনার। লাশ টুকরো টুকরো করে ট্রলি ব্যাগে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ, তানভীর ভুইঁয়া ও শিলাস্তি রহমান রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।









