আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত ২৯ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে সাবেক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সাবেক সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়টি মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) বরাবর পাঠাতে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ও সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। গত ৬ অক্টোবর রাতে মো. নজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
২০১৫ সালে পরিবেশ ও বন সচিব থেকে নজিবুর রহমানকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া অতিরিক্ত কর কমিশনার সাইফুল আলম, যুগ্ম কর কমিশনার কে এম শামসুজ্জামান, সহকারী কর কমিশনার মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। গত অক্টোবরে ভুয়া পে অর্ডারে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের দুই ছেলের ৫০০ কোটি অবৈধভাবে সাদা করার দায়ে এই তিন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।
বিআরটিএ এর একটি প্রকল্পে ১৩৭ টি বাস কেনা নিয়ে অনিয়ম তদন্তে সাবেক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও পরিবহন বিভাগের সচিব এ বি এম আমিনুল্লাহ নুরীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
ঢাকা ১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে মিরপুরের ৭০০ একর সরকারি খাস জমি দখল, অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।









