ভুয়া কোম্পানির নামে পরস্পর যোগসাজশে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল বারাকাতকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে আবুল বারাকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। দুদকের জন্য নির্ধারিত ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, মিথ্যা রেকর্ডপত্র সৃজনপূর্বক খাঁটি হিসেবে ব্যবহার, অপরাধজনক অসদাচরণ ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংক কর্তৃক মর্টগেজ নেওয়া জমিতে বাস্তবে কোনো ভবন/স্থাপনা/কারখানা না থাকা সত্ত্বেও ঋণগ্রহীতা মালিক হওয়ার আগেই জমিতে স্থাপনা দেখিয়ে মূল্যায়ন করে। স্থাপনাবিহীন ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকায় ক্রয়কৃত জমিকে ১৬৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা মূল্যায়ন করে অন্যায়ভাবে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ০৫/২০০৫ এবং এমওইউ এর অনুশাসন ব্যত্যয় ঘটিয়ে ঋণ অনুমোদনপূর্বক বিতরণ এবং গ্রহণের মাধ্যমে জনতা ব্যাংক লিমিটেড জনতা ভবন করপোরেট শাখা, ঢাকার ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।








