চলছে আষাঢ় মাস। বাঙালির জীবনে বর্ষার রয়েছে তীব্র উপস্থিতি। তীব্র যানজটময় ও জনবহুল এ শহরে চলমান আষাঢ় ও বর্ষামুখরতাকে জাগিয়ে তুলতে অনুষ্ঠিত হলো গায়ক রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে গল্প-গানের আসর ‘আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল।’
মঙ্গলবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় ইসফেনদিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন চৈতন্য প্রকাশন। গানে গানে হল পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। উপস্থিতি সকলে ছিল প্রাণোচ্ছ্বল। সবাই মন-প্রাণ দিয়ে শুনছিল রবীন্দ্রনাথের গান।
রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন গানের নৈপথ্যে কাহিনী শোনান রবীন্দ্র গবেষক পীতম সেনগুপ্ত। ফাঁকে ফাঁকে গায়ক রবীন্দ্রনাথের ১২টি গান গেয়ে শোনার এই সময়ের প্রতিভাবান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী জয়ীতা তিথি।

চৈতন্যের কর্ণধার রাজীব চৌধুরী জানান, চলতি বর্ষায় একটি চৈতন্য উদ্যোগ। বর্ষাকে আনন্দমুখর ও উদযাপনময় করতে আমাদের এই আয়োজন। আমাদের পরের আয়োজন ৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ও ৬ জুলাই সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে।
পরিবেশিত গানের মধ্যে রয়েছে: তোমায় গান শোনাব, তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে, তবু মনে রেখো যদি দূরে যাই চলে, দাও হে হৃদয় ভরে দাও, কে এসে যায় ফিরে ফিরে আকুল নয়ননীরে, কণ্ঠে নিলেম গান, আমার শেষ পারানির কড়ি, আমার প্রাণের পরে চলে গেল কে, আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না, গানের সুরের আসনখানি পাতি পথের ধারে/ওগো পথিক, তুমি এসে বসবে বারে বারে, মরি লো মরি, আমায় বাঁশিতে ডেকেছে কে।
শিল্পীর গানে বাঁশিতে সঙ্গ দেন সাইফ হাসান বাবু, তবলায় রবীন্দ্রনাথ পাল ও এস্রাজে দেবা পাল।









