পাকিস্তানের করাচিতে বানরছানা পাচার করার অভিযোগে শহরতলি থেকে দু’জনকে গেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৪টি বানরছানা একটি আমের ঝুড়িতে আদালতে নিয়ে আসা হয়। কোনও ক্রমে ফাঁক পেয়ে একটি বাঁদরছানা পালায়। তাতেই হুলস্থুল পড়ে যায় আদালত চত্বরে।
শুক্রবার ২১ জুলাই গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তিকে আদালতে আনা হয়। সাথে আদালতে আনা হয় সেই বানরছানাগুলোকেও। তাদের মধ্যে একটি বানরছানা লাফিয়ে লাফিয়ে দেওয়াল টপকে, ছাদ পেরিয়ে গিয়ে ওঠে একটি গাছে। তাকে ধরতে পুলিশকর্মী গাছে ওঠার চেষ্টা করতেই আবার পালায় বানরটি। বানরটিকে দেখতে ভীড় জমে যায় আদালত প্রাঙ্গণে। এতে বন্ধ হয়ে যায় আদালতের কাজ।
পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী বন্য প্রাণী রাখা অপরাধ। কিন্তু রাস্তায় মাদারির খেলা দেখানোর জন্যেও অনেক সময়ই বানর রাখেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতকারীরা বানরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চুরির কাজেও লাগাচ্ছে। শুক্রবার আদালত বানর পাচারের অভিযোগে দু’জনকে এক লক্ষ পাকিস্তানি টাকা জরিমানা করে। বানরছানাগুলোকে করাচি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ারও নির্দেশ দেয় আদালত।
যদিও আদালতের এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের পশুপ্রেমীরা। তাঁদের দাবি, পাকিস্তানের চিড়িয়াখানাগুলোর অবস্থা শোচনীয়। সেখানে রাখলে বানরগুলোর মৃত্যু নিশ্চিত। ২০২০ সালে অব্যবস্থার কারণে ইসলামাবাদের চিড়িয়াখানা বন্ধ করে দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।







