পিরোজপুর সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি বাসচাপায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের ৭ আরোহী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন।
শুক্রবার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর-পাড়েরহাট সড়কের ঝাউতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও চারজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের খুলনা ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন- পিরোজপুর সদর উপজেলার বাদুরা গ্রামের আমিনুল ইসলাম গাজীর স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩৬), উত্তর শংকরপাশা গ্রামের জাহাঙ্গীর মুন্সীর স্ত্রী মানসুরা বেগম (৪০), একই গ্রামের মৃত জাকির শেখের ছেলে মো. নাঈম শেখ (২৫), দক্ষিন নামাজপুর গ্রামের সুলতান মীরের ছেলে আলমগীর মীর (৩০), শংকর পাশা গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখের ছেলে মো. খাইরুল শেখ (২০), ইন্দুরকানী উপজেলার গদার হাওলা গ্রামের মৃত আক্কেল আলী হাওলাদারের ছেলে হেমায়েত হাওলাদার (৫৫) এবং ভান্ডারিয়া উপজেলার মাদাসী গ্রামের মোদাচ্ছের হাওলাদারের ছেলে স্বপন হাওলাদার (২৮)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটি পিরোজপুর সদর উপজেলার ঝাউতলা নামক স্থানে একই দিকে যাওয়া একটি যাত্রীবোঝাই ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সাথেও বাসের ধাক্কা লাগে। বাসটি ইজিবাইকটিকে দুমড়ে-মুচড়ে নিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের ৬ জন হচ্ছেন ইজিবাইকের যাত্রী ও চালক। অন্যজন মোটরসাইকেলের চালক।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় বাসের চালক মোবাইলে কথা বলছিলেন। তার অসর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. পান্থ মিস্ত্রি জানান, সড়ক দুঘটনায় আহতদের হাসপাতালে আনার পরে ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিজাম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে পিরোজপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৫ জনকে খুলনা ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।







