নাটোরে ধর্ষণ ও মানবপাচার মামলার পৃথক রায়ে ৩ নারীসহ ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) এ আদেশ দেন। উভয় মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছে।
নাটোর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অনিসুর রহমান জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর নাটোর সদর উপজেলার চকতেবাড়িয়া গ্রামের এক কিশোরীকে পাচারের উদ্দেশে পাবনার এক বাসায় নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে তাদেরই একজনের সাথে জোর করে বিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। এরপর কিশোরীকে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে অশ্লীল কাজে বাধ্য করে। সেখান থেকে পালিয়ে নাটোরে ফিরে আসার পর মামলা দায়ের করে কিশোরী।
স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর বলেন, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য ও তথ্য প্রমাণ শেষে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আসামি হালিমা, আম্বিয়া, জেমি, নাইম ও আজবারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই অর্থ আদায় করে নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
এরপর একই আদালতে সিংড়া উপজেলার কুশাবাড়ি গ্রামে এক নারীকে ধর্ষণের অপর এক মামলার রায়ে আনছার আলী নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। ২০০৪ সালে রাতে দুঃস্থ ওই নারীর ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র ধরে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে আনছার আলী। তাকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভূক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।







