রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে গোলাগুলির ঘটনায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. রুহুল কবির খান বিষয়টি চ্যানেল আই অনলাইকে নিশ্চিত করেন।
জেনেভা ক্যাম্পে গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও দুইজনকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন-আমীন (২৭), শরীফ (৩২) ও শিশু সাজ্জান (৮)। তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর শিশু সাজ্জান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
আশপাশের বাসিন্দারা জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ জেনেভা ক্যাম্পের ভেতরে গোলাগুলি শুরু হয়। গুলির শব্দে তাজমহল রোড, বাবর রোড ও হুমায়ুন রোডের বাসিন্দারা ভয়ে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। সন্ধ্যার পর থেকে গুলির শব্দে পুরো এলাকার দোকানপাট বন্ধ ও যান চলাচল থমকে যায়। সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ থেমে থেমে রাত পর্যন্ত চলে।
ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি সার্জ্জনের বড় ভাই মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, সাড়ে ৫টার দিকে বাসা থেকে পানি আনতে বাইরে বের হয়েছিল সার্জ্জন। আচমকাই ক্যাম্পের ভেতরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির মধ্যে সে ডান হাতে ও পেটের নিচে গুলিবিদ্ধ হয়।
সার্জ্জন ক্যাম্পের বাসিন্দা সেলুনের কর্মচারী মো. শমসেরের ছেলে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, সার্জ্জনকে চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. রুহুল কবির খান বলেন, জেনেভো ক্যাম্পে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এরপর পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো অভিযান চলমান রয়েছে।









