তৃতীয় দফায় কঙ্কাল চুরির ঘটনার পর আবারও দিনাজপুরের বীরগঞ্জে কবরস্থান হতে কঙ্কাল চুরির প্রস্তুতিকালে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে বীরগঞ্জ থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার ২৮ আগষ্ট দুপুরে এ বিষয়ে বীরগঞ্জ থানায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বীরগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ সুমন।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের আটক ৫ জন চৌধুরীহাট বালাপুকুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান, তুলশীপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানসহ দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন কবরস্থান হতে মৃত ব্যক্তির কঙ্কাল-হাড়গোড় চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা কঙ্কাল চুরি চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা পুরাতন কবরগুলি টার্গেট করে ২-৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কঙ্কাল চুরি করে থাকে। চুরি করা কঙ্কালগুলো রংপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ৬ হাজার ৫’শত হতে ৭ হাজার ৫’শত টাকায় বিক্রয় করে। আটক আসামীদের নিকট হতে কঙ্কাল চুরির কাজে ব্যবহৃত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রবিবার গভীর রাতে বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বালাপুকুর কেন্দ্রিয় কবরস্থানে কঙ্কাল চুরির প্রস্তুতিকালে তাদেরকে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। এর আগে এই কবরস্থান হতে একবার এবং পাশ্ববর্তী তুলশীপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান হতে দুইবার কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- শেরপুর জেলার নকলা থানার আদর্শগ্রাম টাঙ্গাইলা পাড়া গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. লালচান (৩০), একই গ্রামের বাবর হোসেনের ছেলে মো. আব্দুস সোবাহান ওরফে সফু (২৮), মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে মো. ফরিদ ওরফে শেখ ফরিদ (২৪), ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার আলী নগর গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে মো. সেরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজুল ইসলাম (২৭) এবং একই জেলার কোতয়ালি মডেল থানার অষ্টধর গ্রামের মো. তাজিম উদ্দিন ওরফে আজিজুল ইসলামের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন বাবু (২৫)।
এ সময় বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক, মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামসহ জেলা-উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।








