দেশে প্রতিবছর চার লাখ মানুষ সর্প দংশনের শিকার হচ্ছে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও এতে প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অজ্ঞতা দূর করে মানুষকে সচেতন করা গেলেই এই হার কমিয়ে আনা সম্ভব।
সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বনবিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ‘সর্প দংশন, প্রতিকার ও চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটু সচেতন হলেই সাপের কামড়ে আক্রান্ত মানুষকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হবে।
তারা বলেন, অজ্ঞতা দূর করে মানুষকে সচেতন করা গেলেই সাপে কামড়ের রোগী কমিয়ে আনা সম্ভব। সাপের কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতের উপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন চার লাখ মানুষ। এর মধ্যে শুধু খুলনা বিভাগেই আক্রান্তের শিকার এক লাখ মানুষ। এর মধ্যে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নড়াইল থেকে শুরু করে বাগেরহাট, সাতক্ষীরা অঞ্চলে গোখরা, কেউটে, কোবরা, রাসেল ভাইপার প্রজাতির সাপের দংশনে বেশি মানুষ মারা যান।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. আবু নাসের মোহসিন হেসেন বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় সাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাপকে না মেরে মানুষকে কুসংস্কার মুক্ত ও সচেতন করতে হবে।
পশ্চিম সুন্দরবন বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ ও সাপ গবেষক মো. আবু সাঈদ বলেন, সাপ কামড়ে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরী। চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব বলেও দাবি করেন তিনি।







