যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ‘ফিলিস্তিন অ্যাকশন’ গ্রুপের সমর্থকদের বিক্ষোভ থেকে ৩শত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারে পার্লামেন্ট স্কয়ারে বিক্ষোভ চলাকালে শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (১০ আগস্ট) ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
শনিবার পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে ৫০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী স্কোয়ারে অবস্থান নেয়, অনেকেই “আমি গণহত্যার বিরোধিতা করি। আমি ফিলিস্তিনের পদক্ষেপকে সমর্থন করি” লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধ এবং সংগঠনটির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এছাড়াও ফিলিস্তিনি-পন্থী বিক্ষোভকারীরা শনিবার বিকেলে মধ্য লন্ডনে জড়ো হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এবং অফিস, ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের গেটের বাইরে একটি মিছিলে অংশ নেন।
ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ফিলিস্তিন অ্যাকশন’কে নিষিদ্ধের পর জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, ব্রিটিশ সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করেছে। উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে আহ্বান জানান।
জুলাইয়ের গোড়ার দিকে পার্লামেন্ট ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নিষিদ্ধ করে এবং সংগঠনটিকে প্রকাশ্যে সমর্থন করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে একটি আইন পাস করে। গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আক্রমণে ব্রিটেনের সমর্থনের প্রতিবাদে কর্মীরা রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে প্রবেশ করে এবং দুটি ট্যাঙ্কার বিমান ভাঙচুর করে।
এই গোষ্ঠীর সমর্থকরা যুক্তি দিচ্ছেন, ব্রিটিশ সরকারের এ আইনটি অবৈধভাবে তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই বছরের শেষের দিকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলকে ক্ষুব্ধ করলেও, ব্রিটেনের অনেক ফিলিস্তিনি সমর্থক গাজায় যুদ্ধ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করছেন।









