চতুর্থ ধাপে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। যদিও ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত ২০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ৯ জুন। নির্বাচন শেষে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েছেন, নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
বুধবার (৫ জুন) বিকেলে নির্বাচনের সময় শেষ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই তথ্য জানান।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ৬০ উপজেলায় মোট ৫ হাজার ১৪৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ৮৯টি ভোটকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ৩৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, চতুর্থ ধাপের এই নির্বাচনে অনিয়ম ও সহিংসতা করায় ২৮ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়াও একটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৬ জন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, একজন প্রিসাইডিং অফিসার জাল ভোট দেয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসময় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ায় সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, সহিংসতা না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট।
চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, তিন জন ভাইস চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৫১, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০৫ জনসহ মোট ৭২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৫৮টি পৌরসভা ও ৮৭৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ছিলেন দুই কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫ জন।









