যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র শীতকালীন ঝড়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত এই ঝড়ে ভারী তুষারপাত, বরফ জমা ও প্রচণ্ড ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ঝড়ের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়ও। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বরফের ভারে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে বহু স্থানে। পরিবহন খাতেও বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। রোববার ১০ হাজার ৫০০টির বেশি এবং সোমবার প্রায় ৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত টেক্সাস থেকে মেইন পর্যন্ত ২০ কোটির বেশি মানুষ তীব্র ঠান্ডার সতর্কতার আওতায় ছিল। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, দেশের পূর্বাঞ্চলের বড় অংশে শূন্যের নিচে তাপমাত্রা এবং রেকর্ড পরিমাণ শীত ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসিতে সরকারি দপ্তর ও জাদুঘর বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্কুল বন্ধ অথবা অনলাইনে পাঠদান চালু করা হয়েছে।
এনডব্লিউএস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলে আরেকটি শক্তিশালী শীতকালীন ঝড় আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে নাগরিকদের নিয়মিত আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।









