গাজার উপর ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় আরও ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছেন, এবং অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ (৩১ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আহতদের সংখ্যা এখনও বাড়ছে। এ ঘটনায় গাজার হাসপাতালগুলোর উপর চাপ বাড়ছে, যেখানে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই হামলা আরও মানবিক সংকট সৃষ্টি করবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আক্রমণ মূলত হামাসের অস্ত্র গুদাম এবং সামরিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করছে, হামাস হামলা ও আত্মঘাতী বোমা হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে, এবং তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী এটি প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলি গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং এসব হামলার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে। জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থাগুলোর মতে, গাজার পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হতে চলেছে, কারণ সেখানে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
ইসরায়েলি হামলা এবং পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে, কিন্তু শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এখনও কোনো উল্লেখযোগ্য আলোচনা শুরু হয়নি। আন্তর্জাতিক মহল গাজার নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতি চেয়েছে।
এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা ও বিশেষজ্ঞরা গাজার জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।









