জুবায়ের ও রিনি সুখী দম্পত্তি। প্রবাসে থাকে। ওদের একটা গেস্ট হাউস আছে। ওরা যখন বিদেশ থাকে, তখন বারো ভূতের আড্ডা হয়। নেশাখোরের আখড়া চলে। এলাকার তরুণদের দখলে চলে যায়। অথচ এই গেস্ট হাউসের ঐতিহ্য আছে। এখানে থেকেই জুবায়েরের রোহান চাচা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছেন। এই খানে বসেই জুবায়েরের মা মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী লিখেছেন। কিন্তু এর আমল দেয়নি জুবায়ের।
সে ঠিক করে, গেস্ট হাউসটি ভাঙচুর করবে। যেহেতু এখানে থাকবে না, স্ত্রীকে নিয়ে আবারও বাইরের দেশে চলে যাবে। তাই ঠিক করে জুবায়ের এটা ভেঙে বহুতল ভবন বানাবে। দোতলায় লাইব্রেরি করবে। যুদ্ধের নানা স্মৃতি থাকবে ওখানে। ডেভেলপমেন্টের জন্য ডাকা হয় আবদুল্লাহ সাহেবকে। গজ-ফিতা দিয়ে মাপজোক শুরু হলো। এলো প্রোমোটার।
উটকো দাবিদার এসেও হাজির হলো। সব সামাল দিয়ে জুবায়ের যখন পুরো প্রস্তুত, বাঁধ সেধে দাঁড়ালো রিনি। এই ঐতিহ্যভরা বাড়ি ভাঙতে দিতে চায় না ও। কিন্তু রিনির আপত্তি কি গুরুত্ব দেবে জুবায়ের? ঘটনা মোড় নেয় ভিন্ন দিকে।
শেষ পর্যন্ত সেই ঝামেলা কাটিয়ে কি নিজেদের সম্পর্ক অটুট রাখতে পারবে জুবায়ের-রিনি? নাকি ঘটবে অন্য কিছু? এমনই এক গল্পে নির্মিত হয়েছে এবারের বিজয় দিবসের বিশেষ নাটক ‘ছাব্বিশ নম্বর বাড়ি’। ফরিদুর রেজা সাগরের কাহিনী অবলম্বনে ‘বাড়ি’ সিরিজের নাটকটি পরিচালনা করেছেন অরুণ চৌধুরী।
নাটকে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ (জুবায়ের), নাদিয়া (রিনি), আবদুল্লাহ রানা প্রমুখ। প্রচার হবে বিজয় দিবসের দিন রাত ৭টা ৫০ মিনিটে, চ্যানেল আইতে।







