উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে এখনও পানিবন্দি প্রায় ২৫ হাজারের অধিক মানুষ। রাস্তা-ঘাট, পুকুর আর ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় জীবন-জীবিকায় নেমে এসেছে স্থবিরতা। পরিস্থিতি উন্নয়নে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও কার্যকর ব্যবস্থার দাবি ক্ষতিগ্রস্থদের।
আজ (৬ জুলাই) শনিবার পর্যন্ত শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও স্থবিরতা কাটেনি পানিবন্দী জীবনের। টানা ৫ থেকে ৬ দিন ধরে পানিবন্দী মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের বাতিয়াগাঁও গ্রামের প্রায় সাড়ে ৪০০ পরিবার। কেবল বাতিয়াগাঁওই নয়, উপজেলার নিন্মাঞ্চলের ২০টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী।
বন্যায় শতাধিক পুকুর তলিয়ে মাছ ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি তলিয়ে গেছে সবজি ও রোপা-আমনের বীজতলা। বসতভিটা তলিয়ে যাওয়ায়, গবাধি পশু ও জরুরি জিনিসপত্র নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে। পাচ্ছেননা ত্রাণ সহায়তাও। পরিস্থিতি উন্নয়নে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তাসহ পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
প্রতিবছর এমন ভোগান্তি ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।









