গুমের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি হারালেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২২ সদস্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যটি ঠিক না।
রবিবার (২৪ নভেম্বর) গুম কমিশনের সুপারিশে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ হয়। পরে প্রধান উপদেষ্টার ফ্যাক্ট চেক উইং থেকে জানানো হয় সংবাদটি ভুয়া।
দেশে বলপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের কোনো সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের কোনো নিরাপত্তা বাহিনী তাদের কোনো কর্মকর্তা ও সদস্যকে বরখাস্ত করেনি বলে জানানো হয়েছে।
গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনের প্রধান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এমন কোনো সুপারিশ কমিটি থেকে করা হয়নি বলে জানান তিনি।
কমিশন প্রধান বলেন, ‘আমাদের সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ২২ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে– তথ্যটি মিথ্যা। এটি একটি ভুয়া খবর।’
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তথ্যটি সংশোধন করে প্রচার করবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গুমের ঘটনা তদন্তে গঠন করেছে আলাদা কমিশন। সেই কমিশনে একে একে জমা পড়তে থাকে অভিযোগ। প্রধান উপদেষ্টার দেয়া সবশেষ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণেও উঠে আসে গুম প্রসঙ্গ। তিনি জানান, গুম কমিশনে সাড়ে ৩ হাজার অভিযোগ জমা পড়ার কথা।
গুমের অভিযোগ এসেছে আরও অনেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে। প্রমাণ পাওয়া গেলে এসব সদস্যও চাকরি হারাতে পারেন বলে জানিয়েছেন কমিশন।









