কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে চোরাকারবারিদের গুলিতে বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন। আহত সদস্যদের উদ্ধার করে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
বুধবার ৫ জুন বিজিবির টেকনাফস্থ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিজিবির দুই সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বিজিবির টেকনাফের নাজিরপাড়া বিওপি’র একটি চোরাচালান প্রতিরোধ নৌ টহলদল নাফ নদীতে আজ বুধবার ভোরে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এসময় নাফ নদীর রহমানের খাল নামক স্থানে একটি নৌকার মুখোমুখি হয়। নৌকায় অবস্থানরত সশস্ত্র চোরাকারবারি দল বিজিবি টহল দলকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করতে থাকে।
তিনি জানান, এসময় বিজিবির টহলদলও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। এতে চোরাকারবারী দলের গুলিতে বিজিবির দুই সদস্য গুরুতর আহত হন।
একপর্যায়ে বিজিবির টহলদলের প্রতিরোধের মুখে সশস্ত্র চোরাকারবারিরা গুলি বর্ষণ করতে করতে নাফ নদীর মিয়ানমার জল সীমান্তের ভেতরে চলে যায়। বর্তমানে গুরুতর আহত বিজিবি সদস্য দুজন রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিজিবির এই কর্মকর্তা আহত দুই সদস্যের নাম জানাননি। তবে বিজিবির একটি সূত্র জানায়, গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত দুই জনের একজন ল্যান্স নায়েক জুয়েল বড়ুয়া এবং অপরজন সিপাহী নন্দন।








