মুন্সিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি বর্ষণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মুন্সিগঞ্জ শহর।
এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে দু’জন নিহত হয়েছে। ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে দু’জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পর্যবেক্ষণ করে তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকালে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মুন্সিগঞ্জ শহরের সুপার মার্কেট ও কৃষি ব্যাংক মোড় এলাকায় জড়ো হতে থাকে আন্দোলনকারীরা। পরে সকাল ১০টার দিকে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে আন্দোলনকারীদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। এতে সুপার মার্কেট থেকে কৃষি ব্যাংক এলাকাজুড়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সকাল ১০টা থেকে গোলাগুলি চলছে। ইনসেপটা ওষুধ কোম্পানীর একটি কাভার্ড ভ্যানসহ বেশ কিছু যানবাহন ও স্থাপনা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।
এছাড়াও আন্দোলনকারীরা মুন্সিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে হামলা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় তারা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি মুক্তারপুর ও শিপাহিপাড়া এলাকায় বেশকিছু দোকানপাট ভাঙচুর করে। এখনও শহরজুড়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।









