কিশোরগঞ্জে ৪২টি আসনের ১১টি ট্রেনের অগ্রীম টিকিটসহ দুই কালোবাজারিকে আটক করেছে র্যাব। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে নগদ চার হাজার ৫০০ টাকা এবং ৩টি মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার ৩ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন ও জেলার কটিয়াদীর গচিহাটা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদেরকে আটক করেছেন।
আটক কালোবাজারিরা হলেন- জেলার কটিয়াদী উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. কাছুম আলীর ছেলে মো. রহমত উল্লাহ (২৯) এবং একই উপজেলার সহশ্রাম এলাকার কাজল ভূইয়ার ছেলে মো. মোখলেছ ভূইয়া (২০)।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক মো. আশরাফুল কবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের নিকট বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ আসতে থাকে, পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টিকিট কালোবাজারি চক্র কিশোরগঞ্জ সদর ও কটিয়াদী রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশের এলাকায় ট্রেনের টিকিট অনলাইন ও কাউন্টার থেকে অগ্রীম ক্রয় করে অবৈধভাবে নিজেদের কাছে মজুদ করে রাখে এবং পরে সাধারণ জনগণের মাঝে বেশি দামে উক্ত টিকিট বিক্রয় করে থাকে।
এসব তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কালোবাজারি চক্রের উপর র্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। এরই প্রেক্ষিতে আজ দুপুর ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন ও জেলার কটিয়াদী থানার গচিহাটা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৪২টি আসনের ১১টি ট্রেনের অগ্রীম টিকিটসহ দুই টিকিট কালোবাজারিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের নিকট থেকে টিকিট বিক্রয়ের নগদ ৪ হাজার ৫০০ টাকা ও ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক মো. আশরাফুল কবির জানান, গ্রেপ্তারদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা টিকিট কালবাজারি চক্রের সদস্য। তারা ঈদকে সামনে রেখে টিকিট কালোবাজারি করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলম্বন করতো। এ সকল কালোবাজারিদের আইনের আওতায় এনে টিকিট কালোবাজারীমুক্ত দেশ গড়তে র্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার মো. রহমত উল্লাহ রেলওয়েতে চাকরি করে বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানা ও কটিয়াদী মডেল থানায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।








