আদালত

লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ স্থগিত

লেকহেড গ্রামার স্কুলের বহির্দৃশ্য, আধুনিক স্থাপনা ও বাইক পার্কিং. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

লেকহেড গ্রামার স্কুলের ভবনের সামনে বাইক পার্কিং ও আধুনিক স্থাপনা দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

লেকহেড গ্রামার স্কুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেয়ার নির্দেশ  দিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন তা রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতির আদালত।

বুধবার চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে বিষয়টি রোববার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে  লেকহেড গ্রামার স্কুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন।

লেকহেড গ্রামার স্কুল বন্ধ করা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না এবং কেন বন্ধ স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত বৃহস্পতিবার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এরপর গত রোববার ও সোমবার এই রুলের উপর শুনানি নিয়ে আদালত মঙ্গলবার রায় দেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড গ্রামার স্কুলের সকল কার্যক্রম বন্ধের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে তিনটি রিট করা হয়। স্কুলের নতুন মালিক ও ১২ জন অভিভাবক এই রিটগুলো করেন।

গত ৬ নভেম্বর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সকল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার স্কুল সিলগালা করে দেয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সালমা জাহান সাক্ষরিত চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, এ প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

২০০৬ সালে ধানমন্ডি ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হয় লেকহেড গ্রামার স্কুল। গুলশানে এই স্কুলের আরও দু’টি শাখা রয়েছে।

বিষয়:সুপ্রিম কোর্টহাইকোর্ট
প্রতিবেদক

এস এম আশিকুজ্জামান

অনলাইন জার্নালিস্ট, চ্যানেল আই।

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…