বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে

-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

আলোচনাসভা চলাকালে বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত, মিডিয়া কর্মী ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করছে, একটি সম্মেলন কক্ষে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

মিয়ানমারের দেওয়া প্রত্যাবাসন প্রস্তাব আন্তর্জাতিক চাপ এড়ানোর কৌশল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিধির বক্তব্যে একথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। তারা রোহিঙ্গাদের ‘উগ্র বাঙালি সন্ত্রাসবাদী’ বলে বিশ্বে প্রচার করছে। এতে পাশ্ববর্তী দেশগুলো বিভ্রান্ত হচ্ছে। তবে এই সংকটের কারণে দেশটির সেনাবাহিনীর উপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বলে মন্ত্রব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

এসময় তিনি যোগ করেন, তবে মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক এই চাপ অব্যাহত না থাকলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরানো কঠিন হবে।

এসময় তিনি আরো বলেন, রাখাইনে ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৩০০০ এর মতো রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। বহু বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। যা তাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছে।

তিনি আরও বলেন, ১৬/১৭ লাখ রোহিঙ্গাদের মধ্যে এবার পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে এসেছে। যা আগে আসা সংখ্যার সঙ্গে যোগ করলে দাঁড়ায় প্রায় নয় লাখ। আরও চারলাখ ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। সেই হিসেবে রোহিঙ্গাদের অর্ধেকের বেশিই বাংলাদেশে চলে  এসেছে।’

সেনা চৌকিতে হামলার যে অযুহাতে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হয়েছে তা মিয়ানমার সরকারের পরিকল্পিত এমন ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আগস্টের শেষের দিকে সেনা চৌকিতে হামলা হয়েছে। অথচ মাস খানেক আগ থেকেই মিয়ানমার মংডু এলাকায় সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি করছিল।’

এই সমস্যা সৃষ্টিতে বাংলাদেশের হাত নেই। ফলে সমাধানটাও মিয়ানমারকে করতে হবে বলে অভিমত দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মিয়ানমারে যে কোন হামলা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ লেগে গেলে বিশ্ব নজর রোহিঙ্গা থেকে সরে যাবে বলে সেমিনারে মন্তব্য করেছেন ব্রি. জেনারেল মনির।

বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল আব্দুর রহমান সূচনা বক্তব্যে বলেন, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে উস্কানি ছিলো। বাংলাদেশ খুবই বুদ্ধিমত্তার সাথে তা মোকাবেলা করেছে। তবে বাংলাদেশের সিমান্তে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা উচিত।

বিষয়:রোহিঙ্গা
প্রতিবেদক

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ ২০১০ সাল থেকে দেশের প্রায় সবকটি জাতীয় পত্রিকার রম্য, ফিচার, সাপ্তাহিক বিনোদন পাতায় লিখেছেন। দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের বিনোদন ইনচার্জ হিসেবে কাজ করেছেন । তিনটি গল্প, একটি উপন্যাসসহ চারটি বই রয়েছে তার। ফেব্রুয়ারি-২০১৭ থেকে চ্যানেল আই অনলাইনে ‘অনলাইন জার্নালিস্ট হিসেবে কর্মরত। Facebook

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…