মধুপুর মানেই মধুর হাড়ি। পৃথিবীর বিখ্যাত জায়ান্ট কিউ জাতের আনারসের আবাদ হয় মধুপুর গড়ে। আবাদ হয় কলা, কাঁঠাল, আমসহ নানা জাতের ফলের। কিন্তু এসব ফলের সেই পুরোনো স্বাদ আর নেই। ক্ষতিকর নানান ওষুধ প্রয়োগে হারিয়ে যাচ্ছে মধুপুরের ফলের জৌলুস। আর মানুষের আতঙ্ক তো আছেই।
তবে আশার আলো নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশনের প্রধান বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোবারক আহমেদ খান। তাঁর নেতৃত্বে গবেষকদের একটি দল কাজ করছেন চিংড়ি মাছের খোসা থেকে তৈরি কাইটোসান নিয়ে। এর ব্যবহারে ফল আকারে বড় হবে, গুণগত মান থাকবে অক্ষুণ্ণ। আর ফল খেয়ে মানব দেহেরও কোনো ক্ষতি হবে না।
মৌসুমী ফল সংরক্ষণে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্য সম্মত প্রিজারভেটিভ নিয়ে আশাবাদী জেলা প্রশাসনও।
দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় যুগান্তকারি পরিবর্তন আনবে এ আবিস্কার, মনে করেন সফল আবিষ্কারক ড. মোবারক আহমেদ খান।
মধুপুরের কৃষকদের মাঝে আশার আলো জ্বালিয়েছে প্রাকৃতিক কাইটোসান। এ উদ্যোগ সফল হলে কৃষকদের পাশাপাশি লাভবান হবে ভোক্তারাও।







