টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আর ৩ উইকেট পেলেই প্রথম বোলার হিসেবে ফিফটি পূর্ণ করবেন সাকিব আল হাসান। সর্বাধিক ৩৬ ম্যাচে ৪৭ উইকেট নেয়া বাঁহাতি স্পিনার ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপেরই সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।
সাকিব নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে ধরাছোঁয়ার বাইরে বলতে হবে। বর্তমানে খেলছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি শ্রীলঙ্কার লেগ স্পিনার ভানিডু হাসারাঙ্গা। মাত্র ১৬ ম্যাচে তার শিকার ৩১ উইকেট।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পঞ্চাশ উইকেট শিকারের কাছে গিয়েও নাগাল পাননি অনেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার। বয়সের ভারে ক্যারিয়ার শেষ করতে হয়েছে রেকর্ড ছোঁয়ার আগে।
পাকিস্তানের স্পিনার শহিদ আফ্রিদি ৩৪ ম্যাচে শিকার করে গেছেন ৩৯ উইকেট। লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা ৩১ ম্যাচে নিয়েছেন ৩৮ উইকেট।
সাকিব ২০০৭ সাল থেকে এপর্যন্ত হওয়া সবকটি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেছেন। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারও টাইগার অলরাউন্ডার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে এবারের বিশ্বকাপেও সাকিব বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের মূল অস্ত্র। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। পরের রাউন্ডে (সুপার এইট) গেলে পাবে আরও তিনটি ম্যাচ।
এবারের বিশ্বকাপে খেললে নতুন আরেকটি কীর্তি গড়বেন সাকিব। ২০০৭ থেকে ২০২৪— সবগুলো টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা দুই ক্রিকেটারের একজন হবেন। আরেকজন ভারতের রোহিত শর্মা।









