বিকল্প ক্রিকেটার না থাকার কারণেই কি বিশ্বকাপ দলে টিকে গেলেন লিটন দাস? জবাবে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু জানালেন, উইকেটকিপিংয়ের বিষয়টি বিবেচনায় এনেছেন তারা। ফর্মে ঘাটতি থাকলেও আস্থা হারাননি লিটন।
‘লিটন দাসকে আমরা যে ম্যাচটাতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারিনি, ওটা কিন্তু সিরিজ ডিসাইডিং ম্যাচ ছিল। আমাদের কিন্তু একটা সিদ্ধান্তে যেতে হয়েছে। একটা বিশেষ ম্যাচের জন্য। এক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবসময় চিন্তা করতে হয়েছে, শুধু একজন ওপেনার না, লিটনকে রিপ্লেস করতে গেলে উইকেটকিপিং সামর্থ্যের বিষয়টিও এসেছে। কারণ আমাদেরকে দুইটা উইকেটকিপার নিয়ে যেতেই হবে। কারণ কনকাশনের ব্যাপারগুলো আপনারা সবাই জানেন।’
‘সেক্ষেত্রে আরেকটা বিকল্প ওপেন করার ক্ষেত্রে এনামুল হক বিজয়ের নাম চিন্তা করেছি। আর এই ফর্মের ঘাটতির পরও আমরা লিটনের উপর আস্থা রেখেছি। ওকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, কীভাবে সে এগিয়ে আসতে পারে। বল সিলেকশন ও শট সিলেকশনের ক্ষেত্রে লিটনকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম তিন ম্যাচে ১, ২৩, ১২ রানে আউট হন লিটন। মিরপুরে শেষের দুই ম্যাচের একাদশে ছিলেন না। দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে পানি টেনেছেন। সিরিজ শেষের দিন শের ই বাংলা স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং কোচের অধীনে নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করেছেন।









