তথ্যপ্রযুক্তি

প্রতি চারজনের একজনের বিশ্বাস ফেসবুক-টুইটারে

প্রতি চারজনের একজনের বিশ্বাস ফেসবুক-টুইটারে

ব্রিটেনের প্রতি চারজনের একজন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বিশ্বাস করে। এবং তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিয়মকানুন কঠোর করার পক্ষে। এডেলম্যান ট্রাস্ট ব্যারোমিটার এক জরিপে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এডেলম্যান এক জরিপে দেখিয়েছে, ব্রিটেনের দুই-তৃতীয়াংশ নাগরিকের বিশ্বাস ফেসবুক, টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অবৈধ ও অনৈতিক আচরণসহ সাইবার অপরাধ ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে যথেষ্ট পরিমানে কাজ করছে না।

এডেলম্যান বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর এখনি সময় এসব বিষয় শোনার এবং তা নিয়ে বসার।

তিন হাজার মানুষের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়েছে, যাদের এক-তৃতীয়াংশের বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছর।

জরিপে আরো দেখানো হয়েছে, ব্রিটেনের ৬৪ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট নিয়মতান্ত্রিক নয়। ৬৩ শতাংশ বিশ্বাস করেন তাদের স্বস্ছতার অভাব এবং ৬২ শতাংশ বিশ্বাস করেন এসব প্রতিষ্ঠান তাদের জ্ঞান ছাড়াই তথ্য বিক্রি করছে।

এছাড়াও ব্রিটেনের অর্ধেকের বেশি মানুষ ভুয়া সংবাদ নিয়ে চিন্তিত, যেখানে ৬৪ শতাংশ মানুষ সঠিক সাংবাদিকতা এবং ভুয়া সংবাদের পার্থ্যকই নির্ধারণ করতে পারেন না।

এডেলম্যান যুক্তরাজ্যের প্রধান নির্বাহী ইডি উইলিয়ামস বলেন, জনগণ অনলাইন প্রতিরোধ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং নিজেদের উদ্বেগের বিষয়গুলোর নিয়মতান্ত্রিক সমাধান চান। এসবের ব্যর্থতা পরে জনগণের সহযোগিতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা পাওয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে গত বছরগুলোতে গতানুগতিক সাংবাদকিতার ওপর মানুষের আস্থা বেড়েছে। যদিও সম্প্রচার এবং ছাপা মাধ্যমসহ গতানুগতিক গণমাধ্যমগুলো জনগণের আত্মবিশ্বাসের প্রতিঘাতের মুখে পড়েছে। এই হার গত বছরের ১৩ শতাংশ থেকে ৬১ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটেনের তিনভাগের এক ভাগ মানুষ সংবাদ পড়া কমিয়েছেন। জরিপের তথ্যমতে, ‘‘বিষণ্ন’’, ‘‘অধিক পক্ষপাতদুষ্ট” এবং গোপন সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উল্লেখ করেই লোকজন সংবাদ পড় কমিয়েছেন।

এসব কারণই সংবাদের পাঠক কমাচ্ছে। অর্ধেক মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই শুধু শিরোনাম দেখে চলে যান, সংবাদের ভেতরে প্রবেশ করেন না। লন্ডনের চল্লিশোর্ধ উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তা এসব কথা বলেছেন বলে এডেলম্যান জানিয়েছে।

এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইডি উইলিয়ামস বলেন, আমরা যদি একবিংশ শতাব্দীতে এসব বড় সমস্যার মুখোমুখী হই, তখন এগুলো আমাদের চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় যে, আমরা সংবাদ উপেক্ষাকারীর বড় দেশে পরিণত হচ্ছি আমরা।

সূত্র: বিবিসি

বিষয়:টুইটারফেসবুকভুয়া খবর
প্রতিবেদক

চ্যানেল আই অনলাইন

চ্যানেল আই অনলাইন

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…