ধারাবাহিকতার অভাবে গদি অনেকটা টলমল আর্নেস্টো ভালভার্দের। এ অবস্থায় তাকে সমর্থন দিলেও নতুন কাউকে খুঁজে যাচ্ছে বার্সেলোনা। হয়তো জুতসই একজনকে পেয়েও যাচ্ছে কাতালানরা। তিনি টটেহ্যামের সদ্য বরখাস্ত কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। বার্সার সঙ্গে তাকে পেতে আগ্রহের তালিকায় পিছিয়ে নেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদও।
দুদিন আগে পচেত্তিনোকে পদ থেকে সরিয়ে দেয় টটেনহ্যাম। তার জায়গায় দায়িত্ব দেয়া হয়েছে হোসে মরিনহোকে।
পচেত্তিনোকে অনেক আগে থেকেই চোখে চোখে রেখেছে ইউরোপের বড় কিছু ক্লাব। তবে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান বলছে, বর্তমানে বার্সেলোনাই তার দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে। তাদের দাবি, আর্জেন্টাইন এ কোচকে পেতে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখও।
দ্য সান জানাচ্ছে, পচেত্তিনোকে পেতে বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে যুদ্ধে নামতেও প্রস্তুত বার্সেলোনা।
স্প্যানিশ দৈনিক এএস বলছে, জিনেদিন জিদানের উত্তরসূরি হিসেবে জোরাল ভাবেই পচেত্তিনোর কথা চিন্তা করছে রিয়াল। অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই। এর আগেও অন্তত দুদফায় পচেত্তিনোকে পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল তারা। যদিও প্রতিবারই স্প্যানিশ জায়ান্টদের চাওয়াকে ফিরিয়ে দেয় টটেনহ্যাম।
লা লিগায় কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে পচেত্তিনোর। আগে কাতালান ক্লাব এস্পানিয়লের কোচ ছিলেন। পচেত্তিনো একবার অবশ্য জানিয়েছিলেন, এস্পানিয়লের সঙ্গে তার সখ্যতার কারণে তিনি ক্যাম্প ন্যুতে কাজ করতে আগ্রহী হবেন না। তবে এখন তার মত বদলেছে কিনা সেটাই দেখার।
বায়ার্ন-বার্সা ছাড়াও পচেত্তিনোর দিকে চোখ আছে রিয়াল মাদ্রিদের। তার নাম শোনা যাচ্ছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জন্যও। তবে টটেহ্যামের সাবেক কোচ হ্যারি রেডন্যাপ বলছেন, আর্সেনালের উচিত পচেত্তিনোকে কোচ করা। কারণ, গানাররা জয় দেখতে চায়।
লন্ডনের প্রতিপক্ষ ক্লাবের কোচ হওয়ায় অনেকের ধারণা আর্সেনাল সমর্থকরা পচেত্তিনোকে ভালোভাবে নেবে না। কিন্তু হ্যারি রেডন্যাপ বলছেন, আর্সেনাল সমর্থকরা জয়ের জন্য ইরাকের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকেও কোচ করতে আপত্তি করবে না!








