দীর্ঘভ্রমণের পর শুক্রবার সকালে অ্যান্টিগা থেকে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে কোনো ম্যাচ জিততে না পারায় ব্যর্থ এক মিশনের সমাপ্তিই বলা যায়। বিশেষ করে আফগানিস্তানের সঙ্গে হার দেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের হৃদয়ে বড় ধাক্কাই দিয়েছে।
গ্রুপ পর্বে তিন জয় নিয়ে সুপার এইটে ওঠে একটি ম্যাচেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যর্থতার পেছনের কারণ লুকাননি তাসকিন আহমেদ। বিমানবন্দরে এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকা এক্সপ্রেস জানান সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অফফর্ম বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
‘দুজন সিনিয়রের অফ ফর্ম আমাদের দলে অবশ্যই প্রভাব পড়েছে। কিন্তু মাঠের বাইরে প্রভাব পড়েনি। কারণ, মাঠের বাইরে তারা সবসময়ই ভালো টিমম্যান। এই যে ৪৭ দিনের মতো এক সঙ্গে ছিলাম, সবার আচরণ খুব ভালো ছিল, সবাই এক সঙ্গে ছিলাম। মাঠের বাইরে সব তো ঠিকই ছিল।’
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান ছিল দেড় মাসেরও মতো। কেননা প্রস্তুতিমূলক সিরিজ খেলতে আগেভাগেই যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখানে স্বাগতিকদের কাছে সিরিজ হার আরও বেশি হতাশ করে ভক্তদের। সবমিলিয়ে দীর্ঘ সফরের অভিজ্ঞতা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।
শ্রীলঙ্কা, নেপাল, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় প্রত্যাশিতই ছিল। আশা ছিল বড় দলের বিপক্ষে জয়ের। সেটি হয়নি। আফগানদের বিপক্ষে ১২.১ ওভারে ১১৬ রান করতে পারলে সেমিতে খেলার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু পারে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দেখা যায়নি চেষ্টাও। যে কারণে গত দু’দিন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ ছিল এটিই। তাসকিন অবশ্য জানালেন সম্ভব না বুঝেই জেতার চেষ্টা করেছিল দল।
‘না, আসলে সত্যি কথা বলতে, ভালোর তো শেষ নেই। হ্যাঁ, আরও অনেক ভালো হতে পারত। বিশেষ করে শেষ ম্যাচটা, আমরা সবাই একটু হতাশ হয়েছি। আমরা জেতার চেষ্টা করেছি প্রথমে, ১২ ওভারের মধ্যে, যখন বুঝতে পারলাম ১২ ওভারের মধ্যে শেষ করা সম্ভব না, তখন স্বাভাবিকভাবে খেলার চেষ্টা করেছিল সবাই। তাও জিততে পারিনি।’
সফরজুড়ে বাজে ব্যাটিংয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের বোলিং হয়েছে চমৎকার। প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গেছেন তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেনরা, ‘বোলিং ইউনিট আগাগোড়াই কয়েক বছর ধরে ভালো করছে। সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। সামনে আরও ভালো হবে। ভালোর তো শেষ নেই।’









