জিয়া পরিবারকে ধ্বংস ও বিএনপিকে দুর্বল করার নীলনকশার অংশ হিসেবে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অর্থ পাচার মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
দলটির অভিযোগ, এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে তারেক রহমান খালাস পেলেও দুদকের করা আপিলে উচ্চ আদালতে তথ্য-প্রমাণ আমলে নেওয়া হয়নি। রিজভী বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এই রায় তারই অংশ।
রিজভী দাবি করেন, ১/১১ সরকার অবৈধভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকায় নিম্ন আদালত তারেক রহমানকে খালাস দিয়েছিলেন। সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে দুদকের মাধ্যমে আপিল করে সাজা দিয়েছে। তিনি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
উচ্চ আদালতের কাছ থেকে ন্যায়বিচার আশা করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে কোনো বিচারকের ন্যায়বিচার করার অধিকার নেই। কোনো বিচারক যদি ন্যায়বিচার করেন, তাহলে তিনি দেশে থাকতে পারবেন না। আদালতে মানুষ ন্যায়বিচার পেলে আদালতের প্রতি আস্থা বাড়বে।
ঘুষ হিসেবে আদায়ের পর ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা এ মামলার রায়ে জজআদালত ২০১৩ সালে তারেককে খালাস এবং তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদন্ড দিয়েছিল।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ে হাই কোর্ট বৃহস্পতিবার মামুনের সাজা বহাল রেখে তারেকের খালাসের রায় বাতিল করেছে। বিএনপির এই সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানকে সাত বছরের কারাদন্ডের সঙ্গে করা হয়েছে ২০ কোটি টাকা জরিমানা।







