কানাডার টরন্টোতে এক সংলাপ অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিকৃতি কিংবা আপত্তিকর মন্তব্য করা কোনো বিবেচনায়ই মত প্রকাশের অধিকারের মধ্যে পড়ে না। এ জন্য পশ্চিমা দেশগুলোতে বিদ্যমান ‘হলোকাস্ট ডিনায়াল ল’ এর আদলে বাংলাদেশেও দ্রুত আইন প্রণয়ন করা দরকার।
টরন্টোর মুক্তমনা মানুষদের মত প্রকাশের বিকল্প মিডিয়া ‘হ্যালো, টরন্টো থেকে বলছি..’র সংলাপে বক্তারা এমন দাবি জানান।
রোববার রাতে ডেনফোর্থের ক্রিয়েটিভ ফিল্মস এর স্টুডিওতে এই সংলাপটির রেকর্ড করা হয়।
সাংস্কৃতিক সংগঠক আহমেদ হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক উদ্যোগ- পিডিআইর যুগ্ম আহ্বায়ক বিদ্যুৎ দে, ‘নতুনদেশ’ এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর, ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট শামান সাত্ত্বিক এবং কানাডা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রিন্স।
বাংলাদেশসহ সমসাময়িক আলোচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহের ওপর টরন্টোতে বসবাসরত মুক্তচিন্তার রাজনীতিক, লেখক-সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী তথা মুক্তমনের প্রতিনিধিত্বশীল মানুষদের বক্তব্য তুলে ধরার অনলাইন প্ল্যাটফরম এই ‘হ্যালো, টরন্টো থেকে বলছি…’।
টক শোর আদলে চিন্তাশীল মানুষদের মতামত ধারণ করে তা অনলাইনে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচার করা হয়।
এ প্রসঙ্গে ‘হ্যালো, টরন্টো থেকে বলছি..’র অন্যতম উদ্যোক্তা সাংস্কৃতিক সংগঠক আহমেদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং বিশ্বের সমসাময়িক ঘটনাবলী আমাদেরও স্পর্শ করে। কিন্তু সেগুলো প্রকাশের নিজস্ব কোনো মাধ্যম আমাদের নেই। তাই বিকল্প মাধ্যমে আমরা আমাদের ‘ভয়েস’ তুলে ধরছি। ‘হ্যালো, টরন্টো থেকে বলছি..’ এই উদ্দেশ্য নিয়েই কাজ করছে।’
পুরো আলোচনাটির ভিডিওগ্রাফী করেছেন, এনায়েত করীম। তাকে সহায়তা করেছেন আমিনুল ইসলাম খোকন, মণীস রফিক ও বিদ্যুৎ সরকার।






