সাউথ আফ্রিকার দেয়া ১১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ১৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ৮৩ রান। শেষ ৩০ বলে ৩১ রান করতে পারলেই টি-টুয়েন্টিতে প্রথমবার প্রোটিয়াদের হারানোর স্বাদ পাবে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে সুপার এইটের পথও মসৃন হবে।
তাওহিদ হৃদয় ২৮ বলে ২৯ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত আছেন।
পাওয়ার প্লে’তে খুব বেশি রান না এলেও চাপ ছিল না। সতর্কতার সঙ্গে ব্যাটিং করতে থাকা লিটন দাস (৯) আগ্রাসী হতে গেলেন ৬ ওভার শেষ হতেই। কাভারে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে বিপদ বাড়ান। সাকিব আল হাসানও উইকেট বিলিয়ে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪ বলে ৩ রান করে ফেরেন। বলের সঙ্গে সমানতালে রান তোলার চ্যালেঞ্জে পড়ে শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশ অধিনায়ক ২৩ বল থেকে একটি ছয়ের সাহাজ্যে করেন ১৪ রান।
তার আগে দুটি বাউন্ডারিতে ৯ বলে ৯ রান করে কাগিজো রাবাদার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বাংলাদেশ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। সৌম্য সরকার না থাকায় শান্ত ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী হন। তিনে নেমে লিটন দাসও সতর্কতার সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন। লক্ষ্যটা খুব বড় না হওয়ায় তাড়াহুড়ো ছিল না টপঅর্ডার ব্যাটারদের। কেশভ মহারাজের ভেতরে ঢুকতে থাকা বলে জোরাজুরি করে ড্রাইভ করতে গিয়ে ধরা পড়েন।
২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল প্রোটিয়া দল। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ক্ল্যাসেন ও মিলার যোগ করেন ৭৯ রান। জুটি ভাঙতে পারত লিটন দাস মিলারের ক্যাচ গ্লাভসে জমা করতে পারলে। ১১তম ওভারে আসা মাহমুদউল্লাহর প্রথম ডেলিভারিতে এজ হয়, ক্যাচ যায় বাংলাদেশ কিপারের হাতে। তালুবন্দি করতে পারেননি লিটন। সাউথ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ৫৭ রান।









