এশিয়া কাপে ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান।
সাকিব এবং নুরুল হাসানকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে বাংলাদেশের রানের চাকা থমকে দিয়েছেন আমিরাত অধিনায়ক আমজাত জাভেদ। তাদের বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন মাহামুদউল্লাহ এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা।
মিঠুন ফেরার দুই রান বাদেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিকুর রহিম। মোহাম্মদ নাভেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৮ বল খেলে তিনি সংগ্রহ করেন ৪ রান।
রোহান মুস্তফার দ্বিতীয় শিকার মোহম্মদ মিঠুন। ক্যারিয়ারের প্রথম টি২০ অর্ধশত থেকে হাত ছোঁয়া দূরত্বে(৪৭) স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি।
উইকেটে থিতু হওয়া আগেই ফাহাদ তারিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাব্বির রহমান। রোহান মুস্তাফার বলে ফেরার আগে মিঠুনের সঙ্গে ২৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। যদিও তার অবদান মাত্র ৬ রান।
বিপজ্জনক হয়ে ওঠা সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে আমিরাতের প্রথম সাফল্য এনেদেন মোহম্মদ শাহাজাদ। শাহাজাদের ফুল লেন্থের বল তুলে মারতে গিয়ে আউট সাইড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১৪ বল খেলে সৌম্য সংগ্রহ করেন ২৩ রান।
এশিয়ার কাপে ভারতের বিপক্ষে হার দিয়ে আসর শুরু করলেও আজ জয় দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ টাইগারদের সামনে। টি২০ ফরমেটে সহজ প্রতিপক্ষ বলে কিছু নেই। কেননা আইসিসি’র সহযোগী দেশ নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ড, এমনকি হংকংয়ের বিপক্ষেও হারের ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের।
আজকের ম্যাচে দু’দলই একাদশে এনেছে পরিবর্তন। ইমরুল কায়েসের জায়গায় টাইগার একাদশে এসেছেন নুরুল হাসান এবং কাদেরের পরিবর্তে অমিরাত একাদশে সুযোগ পেয়েছেন ফাহাদ তারিক।
অন্যদিকে কোয়ালিফাইং পর্বের তিন ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করে অপরাজিত থাকলেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি আমিরাতের জন্য ছিলো অভিজ্ঞতার সঙ্গে উঠতি শক্তির।
তাতে অভিজ্ঞতারই জয় হয়েছে। যেখানে ১২৯ রানের জবাবে মাত্র ১৪ রানে হেরেছে তারা। অবশ্য লঙ্কান ম্যাচের ভুল শুধরে এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে তারাও।
বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন, আরাফাত সানি এবং নুরুল হাসান সোহান।
আরব আমিরাত দল: রোহান মুস্তাফা, মুহাম্মদ কালিম, মোহাম্মদ শাহজাদ, সাইমান আনোয়ার, মুহাম্মদ উসমান, আমজাদ জাভেদ (অধিনায়ক), সাকলাইন হায়দার, মোহাম্মদ নাভেদ, আহমেদ রেজা, এসপি পাতিল ও ফাহাদ তারিক।






