বাংলাদেশ

কূটনৈতিকভাবে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা-মিয়ানমার-অং সান সু চি’র বিরুদ্ধে মামলা-মিয়ানমারের সেনাবাহিনী

কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রয়োজনে দীর্ঘ মেয়াদে যে কোনো ধরনের অবরোধের বিষয়টিও তাদের বিবেচনায় আছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি টমাস শ্যানন। বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসাও করেছেন তিনি।

বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০১২ সালে শুরু হওয়া অংশীদারী সংলাপের ষষ্ঠ পর্বের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ে আন্ডার সেক্রেটারি টমাস শ্যানন। খুব গোপনীয়তায় হওয়া দু’দেশের এ নিয়মিত বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তৃতীয় ব্যক্তিটি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি টমাস শ্যানন বলেন, আমাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন ইস্যুতে আলোচনা করেছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়েও কথা হয়েছে। এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বাংলাদেশ উদাহরণ এবং আমরা বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করি। আমরা এ অঞ্চলে বাংলাদেশকে আমাদের ঘনিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য অংশী হিসাবে বিবেচনা করি।

পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের শক্ত সমর্থক। মানবিক কারণেই তারা আমাদের সহযোগিতা দিচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমধানে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৩১টি পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা অভিভূত। রোহিঙ্গা ছাড়াও আমরা দুই দেশের সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তের মানবিক বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে শ্যানন জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ তাদের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং তারা ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে চায়।

টমাস শ্যানন আরো বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করা এবং তা করতে আমরা কূটনৈতিক আলোচনার পথেই আছি। অন্তত যতক্ষণ পর্যন্ত না ইস্যুটি আলোচনার পর্যায়ে থাকে। এ নিয়ে আমরা বাংলাদেশ তো বটেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গেও কাজ করছি। আমাদের হাতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অবরোধের নানা উপায় ও পন্থা আছে। ওগুলো একটা দীর্ঘ মেয়াদী চেষ্টার অংশ। কিন্তু আপাতত আমাদের উদ্দেশ্য বিষয়টির সমাধান করা, কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি, যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা রাশেদ চৌধুরীকে আবারও বাংলাদেশ ফেরত চেয়েছে বলেও জানিয়েছেন আন্ডার সেক্রেটারি টমাস শ্যানন।

বিষয়:রোহিঙ্গা
প্রতিবেদক

পান্থ রহমান

সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চ্যানেল আই নিউজ। জেনারেল সেক্রেটারি, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন (ডিক্যাব)।

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…