মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত মীর কাসেম আলীকে কাশিমপুর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন থেকে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারেই রাখা হবে বলে জানা গেছে।
আপিল বিভাগের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখার পর তিনি রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে
আবেদন করেছেন।
গত ৬ জুন
তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সর্বোচ্চ
আদালত। ওইদিনই পূর্ণাঙ্গ রায় ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এরপর মীর কাসেমের
নামে জারি করা মৃত্যু পরোয়ানা গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ
পাঠান ট্রাইব্যুনাল-১।
৭ জুন সকালে তাকে মৃত্যু পরোয়ানার কপি পড়ে
শোনান কারা কর্তৃপক্ষ। মৃত্যু পরোয়ানা শোনার পর মীর কাশেম রায়
পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করার কথা জানান।
এর আগে গত ৮ মার্চ আসামীর আপিল খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।
সম্পূরক
কার্যতালিকায় ভুলের কারণে বিভ্রান্তি থাকায় ৮ মার্চ আপিলের রায় হচ্ছে না
বলে প্রথমে মনে করা হলেও পরে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে কার্যতালিকায়
সংশোধন এনে ওই রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার ১১ নম্বর অভিযোগে কিশোর
মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে অপহরণ, ডালিম হোটেলে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যা
এবং মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেয়ার অপরাধে মীর কাশেম আলীর
মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়। এছাড়া নির্যাতনের ৬ অভিযোগে সাজা বহাল রাখা
হয়।








