বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন, পৌর নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিএনপির সামনে আর কোনো উপায় নেই, কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং কথিত জঙ্গিবাদের অভিযোগ থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি। তবে সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগও এনেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তৃণমূল যখন নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা তখন এ বিষয়ে কথা বলছেন রাজধানীর সভা-সমাবেশগুলোতে। বিকেলে এক আলোচনায় দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমি জানি এখানে নির্বাচন করার জন্য কোনো স্বাধীনতা থাকবে না। জানি এখানে পদে পদে বাধা দেওয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হতে পারে। তারপরও আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি, কেননা আমাদের সামনে তো বিকল্প কোনো পথ নেই। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমরা মনে করি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে হবে। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমরা থাকতে চাই বলেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। কারণ আজকের পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে এটাকেও একটা ছুঁতা হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের গণতন্ত্র বিরোধী, জঙ্গিবাদী হিসেবে প্রমাণ করার সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছে। আমাদের মনে হয় সবার মধ্যে পরিষ্কার ধারণা থাকা উচিত যে নির্বাচন ছাড়া আমাদের বিকল্প কোনো পথ নেই। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সেই পথটাই আমাদের বেছে নিতে হবে।
সেসময় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও তুলে ধরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি আরো বলেন, আমাদের বহু প্রার্থীকে অস্ত্র দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। ফেনীতে কোনো প্রার্থীকেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হয়নি। গণহারে গ্রেপ্তার চলছে।
উত্থান-পতন থাকলেও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।






