আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে শেষে আলোচনা সন্তোষজনক হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব এবং ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া।
আজ (শনিবার) বেলা ১১টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় বৈঠক শুরু হয়। দুপুর ১টায় বৈঠকটি শেষ হয়।
বৈঠক শেষে নিজামুল হক বলেন: আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির ফেডারেশনে আলোচনা করে মিডিয়ার সাথে কথা বলবো।
শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন: সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেডারেশনের সাথে কথা বলে, শিক্ষক সমিতির সাথে কথা বলে, সভা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।
আপনাদের দাবি তো সরকারের কাছে, রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনায় এলেন কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একজন জাতীয় নেতা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি আমাদের সঙ্গে বসেছেন।
এর আগে গত ৪ জুন সকাল ১০টায় শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়।
সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয়’ স্কিম কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। যদিও পেনশনের পক্ষে একটি বিবৃতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু শিক্ষক নেতারা সে বিবৃতিটিকে বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং গত ১ জুলাই থেকে টানা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।
অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে। শিক্ষকদের দাবি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বসলেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসার কোনো ইঙ্গিত নেই। এতে শিক্ষকরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরলেও ছাত্ররা না ফিরলে অচলাবস্থা পুরোপুরি কাটবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।









