চট্টগ্রাম থেকে: মিরপুর টেস্টে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। চট্টগ্রামে ১৩টি। দুই ম্যাচের সিরিজে ২২ উইকেট। অজি অফস্পিনার নাথান লায়নের ঘূর্ণি জাদুতে নাকাল হতে হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। দুই টেস্টের সিরিজে এত বেশি উইকেট নেই অজিদের আর কারোই। চট্টগ্রাম টেস্ট বাংলাদেশকে হারতে হয়েছে এক লায়নের কাছেই।
দুদলের মাঝে পার্থক্য যে লায়ন গড়ে দিয়েছেন সেটা মেনেছেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিকও। নিজের বোলিং নিয়েও উচ্ছ্বসিত লায়ন নিজেও। দলকে ৭ উইকেটের জয় উপহার দিয়ে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এসে এই অফস্পিনার জানালেন, ‘আমি ভাগ্যবান, বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছি। ভাল কিছু ডেলিভারি দিতে পেরেছি। আমি এমন পারফরম্যান্সে খুব খুশি।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড এটিই। আগের সেরা ২০০৭ সালে ক্যান্ডিতে মু্ত্তিয়া মুরালিধরনের ১২ উইকেট।
এমন কীর্তি প্রসঙ্গে লায়ন বললেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে এটা বড় অর্জন। আমাদের অন্য বোলাররাও অন্যপ্রান্ত থেকে ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখতে পেরেছে। অ্যাগার, ও’কিফ, কামিন্স, এমনকি কার্টরাইটও। তাদের সবার অবদানও কম নয়। দিনশেষে দলের জয়ই বড় কথা।’
সিরিজ সমতায় শেষ হওয়ায় হাসি ফিরেছে অজি অধিনায়ক স্মিথের মুখেও। জয়ের পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন পাশে বসা লায়নকেই, ‘হ্যাঁ, এখন স্বস্তি পাচ্ছি। প্রথম টেস্ট হারার পর হতাশ ছিলাম। কৃতিত্ব বাংলাদেশেরও। ওই ম্যাচ তো বটেই, পুরো সিরিজেই ভালো খেলেছে। লায়নের হাত ধরেই আমরা সমতা আনতে পেরেছি। সব বোলারদের মধ্যে লায়ন উজ্জ্বল ছিল, দারুণ পারফর্ম করেছে সে।’
ছবি: সাকিব উল ইসলাম







