হিমাগারে রাখা বিপুল পরিমাণ আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের চাষী ও ব্যবসায়ী। বাজারে আলুর চাহিদা ও দাম কম থাকায় উৎপাদন ও সংরক্ষণ খরচই তুলতে পারছেন না তারা।
মৌসুমের শেষ দিকে এসেও জেলার ৪টি হিমাগারে প্রায় দু’লাখ ৬২ হাজার বস্তা আলু পড়ে আছে। আলুর দাম নিম্নমুখী হওয়ায় সংরক্ষিত এই আলুও বাজারজাত করতে চাচ্ছেন না কৃষক ও ব্যবসায়ী।
আলু চাষীরা বলছেন, বর্তমান বাজারদরে আলু বিক্রি করলে ক্ষতি হবে বস্তাপ্রতি প্রায় ২০০ টাকা। যেসব দেশে আলু বেশি খাওয়া হয় সেসব দেশে রপ্তানীর ব্যবস্থা করলেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
বেশী লাভের আশায় যেসব চাষী ও ব্যবসায়ী হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন তাদের এখন মাথায় হাত।
চাষী ও ব্যবসায়ী বলছেন, মৌসুমের শুরুতে আলুর দাম ছিল বস্তা প্রতি নয়শ’ থেকে সাড়ে নয়শ’ টাকা। প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে তাদের মোট খরচ এক হাজার তিনশ’ থেকে দেড় হাজার টাকা। বাজারে এখন প্রতি বস্তা আলু বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১শ’ থেকে বারশ’ টাকায়।
কুড়িগ্রামের হক হিমাগারের ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম বাবলা, ৩০% আলু আমরা বের করতে পেরেছি। আর ২ মাস হয়তো আলু থাকবে। তবে এমনই আবহাওয়া রয়ে গেলে এর মধ্যেই নতুন আলু বাজারে চলে আসবে।
হিমাগার মালিকরা বলছেন, নভেম্বরের মধ্যেই হিমাগার খালি করে আগামী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। অথচ এখন পর্যন্ত সংরক্ষিত রয়েছে মোট আলুর ৭৫ ভাগ।







