যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালে বিএনপি-জামায়াতসহ আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সরকার সক্রিয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট নাগরিকরা। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে লেলিয়ে দিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব বাংলাদেশে নিরাপত্তা চুক্তি করার ফায়দা করছে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন তারা।
আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালে তাদের অবস্থান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার দাবী করে সীমাহীন ধৃষ্টতা প্রকাশ করেছে। এই দুঃসাহস বন্ধে সরকারকে এখনি সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি নিয়ে সকালে রাজধানীতে বেসরকারী সংস্থা রাত্রির আয়োজনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বক্তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর দীর্ঘ না করার দাবি জানানোর পাশাপাশি পশ্চিমা বিশ্বে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলানো বন্ধের জোর দাবি জানান। বিএনপি জামায়াতের আর্ন্তজাতিক লবিং বন্ধে সরকারকে সক্রিয় হবার তাগিদ দেন তারা।
লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, অ্যামনেষ্টির মতো সংস্থাগুলো এখন জামায়াতের ভাষায় কথা বলছে। এগুলো এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদেরই তুলে ধরতে হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে আমরা বলবো, আপনি বলুন তো আপনারা কতটা স্বচ্ছ? আপনারা যাদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন তাদের নাম নাকি আপনারা ডিসক্লোজ করেন না। তাহলে কাদের এজেন্ডা আপনারা বাস্তবায়ন করছেন?
বিশিষ্টজনরা বলেন, জামায়াত বলছে এই নেতার বিচার হচ্ছে, আমরা বলছি আসলে নেতার না, অপরাধীদের বিচার হচ্ছে। শাস্তি দেওয়া হচ্ছে অপরাধীদের।
অ্যামেনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালকে নব্য রাজাকার হিসেবে আখ্যায়িত করে সরকারকে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার আহবান জানান।
তারা বলেন, এই ষড়যন্ত্র দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এতে সরকারের টনক নড়ছে না। এর মোকাবেলা করতে না পারলে দেশের নিরাপত্তা আরো হুমকির সম্মুখীন হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করে জামায়াত নিষিদ্ধের পরই মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার কথাও জানিয়েছেন আলোচকরা।







