চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৫৭ ধারা বাতিল চেয়ে আরেকটি রিট খারিজ

আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পল্লবীর বাসিন্দা জাকির হোসেনের করা রিট পর্যবেক্ষণ দিয়ে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনকারীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ইমরান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল অমিত তালুকদার। তাদের সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল নুসরাত জাহান।

বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর সংশোধনী ২০১৩’র ৫৭ ধারাকে কেনো অসাংবিধানিক ও বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ৪ সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র, আইন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব দিতে বলেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আইসিটি আইনের ৫৭’র ১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করার কারণে যদি কারও মানহানি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তা হবে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এ আইনের অধীনে কোনো অপরাধ করলে অনধিক চৌদ্দ বছর এবং কমপক্ষে সাত বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অপরাধ আমলে নেওয়ার আগ পর্যন্ত জামিন নেওয়ারও সুযোগ নেই। এ অবস্থায় আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৩০ আগস্ট রিট দায়ের করেন ১১ জন শিক্ষক এবং লেখক।

বিজ্ঞাপন